Posts

Showing posts from May, 2018

অকালপক্ক নারী

Image
-কি করেন ভাইয়া ? -পানি পথের যুদ্ধ নিয়ে রিসার্চ করি,দেখি দোষ টা মীরজাফর থেকে সরিয়ে সিরাজ-উদ-দৌলার ঘাড়ে ফালানো যায় কিনা।  -ইয়া আল্লাহ !!!!!  😯  বালক তোমার হাতে বই ? এই তুমি কি সেই তুমি ? -ফাজলামি হচ্ছে ? -হে হে ....পড়েন পড়েন। চা খাবেন ? বানিয়ে এনে দেই ? -তুই খুব ভালো করে জানিস আমার চা খাওয়া বারণ। -আল্লাহ কোই না তো। 😱 -হ্যা এই জন্যই তুই চা নিয়ে ঘুরঘুর করতেছিস। -চা টা সেই হইছে রে। -৩০ সেকেন্ডের মধ্যে তুই ছাদ দিয়ে নামবি। -নইলে ? -ওই যে বেণী দুইটা তোর মাথায় ,ধরবো,উপরে তুলবো আর সোজা গ্রাউন্ড ফ্লোরে ফেলবো। -এই যে বেশি বুঝলি না। আসিস চা খেতে। তোর চা'য়ে যদি ইন্দুরের ঔষুধ না দিছি। -যা ভাগ ,অকালপক্ক নারী।

চিরকুটে কথোপকথন

Image
একগাদা চিরকুটে কথোপকথন  শূন্য উত্তরে রাত্রি যাপন  ফের কোনো এক কাকা ডাকা ভোরে  পাশ বালিশ ছেড়ে তোমার অস্তিত্ব পলায়ন

জটিলতা

Image
-বেঁচেই তো আছেন দেখছি।  -কার জন্য মরবো শুনি ? -নাহ,অনেকদিন আপনার কোনো গল্প পাচ্ছি না তাই ভাবলাম আছেন নাকি গেছেন।  -গল্পেরা এখন আমায় লেখে।  -আমি আসলেই কি আপনার অধ্যাত্বিকতা বের হয় ? -মেয়েরা ঘুরিয়ে কথা বলা ছেলেদের পছন্দ করে। -আমি তো এমনিই করি এখন তো সোজা কথা বলুন। -না আপনিও একই কারনে পছন্দ করেন,প্রথম দিনেই যদি আপনার সাথে সোজা সাপ্টা কথা বলতাম তবে আপনি আমার সামনেও পড়তেন না। আপনাদের ধারণা ঘুরিয়ে কথা বলাটা স্মার্টনেস।কিন্তু এই কথার অর্ধেকই আপনারা বোঝেন না। কথা শুনেই ফিদা হয়ে জান। -একদমই এমন কিছু না। -আচ্ছা প্রথম দিন আমি আপনাকে কি বলেছিলাম মনে আছে ? -নাহ তো। -বলেছিলাম আপনি আসতেই সূর্য ডুবে গেলো। এই কথা শুনে আপনি হাসছিলেন কেন ? -কমপ্লিমেন্ট শুনে হাসবো না ? -ওই তো বললাম না অর্ধেকই বোঝেন না। আপনি ভাবছেন আপনাকে আমি অনেক সুন্দর বলেছি ? নাহ ,আপনি আসায় সূর্য ও বিরক্ত। আপনি কোন মহারানী যে আপনায় দেখে সূর্য ডুববে ? -আপনি বিরক্তিকর।  😡 -হুম দূর হন সামনে থেকে ,না হয় চাঁদ ও ডুববে। -ডুবুগ্গা,থাকবো এইখানে। -থাকেন বড় বড় টিকটিকি আছে কামড় দিয়া যাবেনে । -হুহ  😡 😡

তুমি আমি আমরা নই।

Image
-আচ্ছা রুদ্রো আমাদের যদি আবার দেখা হয়? -অসম্ভব। -কেনো?? -তুমি আর আমি এখন আর আমরা নই।যদিও বা দেখা হয় সেটা আমাদের নয় দেখা হবে দুজন ভিন্ন আমি-র,যারা আমাদের ভেঙে আমি তে গিয়ে ঠেকেছে। - 😞

নির্দোষ তুমি ??

Image
তুমি দিনের পর দিন যে কারো হাত ধরে হাটতে পারো কিছু একান্ত সময় কাটাতে পারো বা রাতের পর রাত মোবাইল ফোনে পার করতে পারো। এতে আমার কিছুই বলার নেই  তুমি আমি নিতান্তই বন্ধু মানুষ। আমি যা পারি তা একটু সাবধান করতে, যদি সেটা তুমি আমায় জানাও তবে, অন্যথায় তোমার ব্যাপার নিয়ে কথা বলা পরচর্চার সমান। সবশেষ আমি যা পারবো তা হলো তোমার বাজে সময় টায় তোমার পাশে তালগাছ হতে। তোমার ভুল জেনেও তোমায় শান্তনা দিতে। এর বাইরে আমার কিছুই করার নেই। তোমার কর্মফল তুমি ভোগ করছো যদিও এই কথাটা তখন তোমার সামনে বলতে পারবো না। কারন তোমার মন খারাপ আর আমার দায়িত্ব শুধুই তোমার মন ভাল করা, যার জন্যই তুমি এসেছো। আর এই সময়ে তুমি তোমার দোষ টুকু নিতে প্রস্তুত নও।

প্রিয়=যন্ত্রণা

Image
কিছু মানুষ অসম্ভব সুখে থাকার ক্ষমতা নিয়ে জন্মায়। প্রিয় মানুষটি সামনে বসে ধরফরিয়ে মরে গেলেও এদের দুঃখবোধ জন্মায় না, লজিক খাটিয়ে সুখ বের করে নেয়। আসলে এদের হৃদয় বলতে কিছু নেই, ওইখানটা সিলিকন চিপে ভরা রোবট টাইপের মানুষ। আচ্ছা তার মানে এদের প্রিয় বলতেও কিছু নেই। 😯

You can't reply this conversation

Image
- এই নিয়ে সাড়ে ছয় বার কল দিলাম। - সাড়ে টা দেখেছিলাম বাকি গুলো টের পাইনি। - কি এমন করেন একটু শুনি? - ছাদে চিতপটাং হয়ে চাঁদ দেখি। -সেটা বসেও দেখা যায়। - নাহ,তাতে কন্সেন্ট্রেশন থাকে না। - কি পেলেন দেখে??? - চাঁদের নাক,মুখ,চোখ আছে। -তার মানে চাঁদ কথাও বলে তাইনা? -হ্যা বলে তো। - কি বললো শুনি?? - বলেছে, এই মেয়ে তোমার প্রেমে পরেছে তাই বার বার কল দিচ্ছে,তেমন গুরুত্বপুর্ন কিছু না।সে দিতেই থাকবে। -তার মানে ইচ্ছে করে রিসিভ করেন নি।আপনি টের পেয়েছেন। -না তো, চাঁদ পেয়েছে। -আর আপনি চাদের কথা বিশ্বাস করেছেন? -নাহ। - কেনো? -কারন চাঁদ হলো সুখি করার বস্তু।সে সুখি করতে যে কোনো কিছু বলতে পারে,এমনকি মিথ্যেও। -তাহলে এটাও জানেন মিথ্যে বলতে হয় সত্যের সাথে মিশিয়ে না হয় বিশ্বাস যোগ্য হয় না। - সোজা কথায় আপনি প্রেমে পরেছেন তাইনা? -না তাইনা। -তবে? - চিতপটাং মানুষ সত্যি সহ্য করতে পারে না তাই বলবো না। -আমিতো আজিবন চিতপটাং। -কিভাবে? -তোমার প্রেমে বালিকা। -গুরুত্বহীন বলে ফেলছেন তাই প্রেম টা আগামী ২ সপ্তাহ কাজ করবে না।ভাগেন।

অনুভূতি

Image
-জানিস মানুষ প্রচন্ড রকম mind conversion ক্ষমতা নিয়ে জন্মায়।  -যেমন !!! -আজ ভার্সিটি থেকে ফেরার পথে ওরা ফুচকা খাবে বলে নামলাম। তিন জন রাস্তা পার হয়ে এক রাউন্ড ফুচকা শেষ করে ভেলপুরীর দিকে যাচ্ছি। আমাদের সমাপ্তির আবার এইসব ভীষণ প্রিয়। ওর বিয়ের মেনু যদি ফুচকা আর ভেলপুরীও হয় ও বোধয় বিন্দু মাত্র আপত্তি করবে না বরং খুশিই হবে।  -এত সব introduction কি আমি শুনতে চেয়েছি ?? -এসব না শুনলে ব্যাপারটা ঠিক বুঝবি না ,শোন। -আচ্ছা বল তবে। -ঠিক ঐ মুহূর্তে রাস্তার অপজিটে একটা প্রাইভেট কার এসে একটা রিক্সার পেছনে লাগিয়ে দিলো। ধুম করে এক শব্দ ,মানুষ দুটো সুপারম্যানের গতিতে উড়ে রাস্তায় পড়লো। আমরা দাঁড়িয়ে পড়লাম ,সবাইকে বলতে শুনলাম ইসসসসস !!!!!! এক্সসিডেন্ট !!!!! আল্লাহ কি অবস্থা। শুনতে শুনতে বোধয় আমিও কয়েকবার বলে ফেলেছি। আমরা মিনিট খানেক দাঁড়িয়ে দেখতে লাগলাম কি হচ্ছে। এত না হলেও সেকেন্ড দশেক তো হবেই। এরপরেই যে যার মত ফুচকা ,ঝালমুড়ি খাওয়া শুরু করলো। মনে হয় কিছুই হয় নি বা এমন রোজই হয়। অনেকে আবার খেতে খেতেই একটু দুঃখ প্রকাশ করে দিলো। এরপর অন্য টপিক ,হাসা হাসি ,সব শেষ। -এটাই স্বাভাবিক। আমাদের একান্ত...

প্রিয়

Image
প্রিয়তে আটকাতে নেই  প্রিয়রা হারায়  প্রিয়রা থামায়  প্রিয়রা দমায়।  প্রিয়রা অপেক্ষা করায়  প্রিয়রা খোঁজ নেয়ার আকাঙ্ক্ষা জাগায় প্রিয়রা মাথায় ব্যাথা ধরায় প্রিয়রা মায়া বাড়ায় প্রিয়রা পোড়ায় ,পিছুটানে প্রিয়রা দুম দাম রং বদলায়। প্রিয়রা প্রিয়ত্ত্বের প্রিয়বার্তার প্রিয়তা উপেক্ষা করে হুট্ হাট অন্যত্র পা বাড়ায়।